সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন সাভির্স চালুর সিদ্ধান্তে আনন্দ মিছিল

সোনাহাট স্থলবন্দরে ইমিগ্রেশন সাভির্স চালুর সিদ্ধান্তে আনন্দ মিছিল

নিউজ ডেস্কঃ সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে ইমিগ্রেশন সাভির্স চালুর নীতিগত সিদ্ধান্তের অনুমোদনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ প্রকাশ করেছে কুড়িগ্রামের ব্যবসায়ী, শ্রমিকসহ সবর্স্তরের মানুষ। সোমবার সোনাহাট স্থলবন্দর এলাকায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে এই আনন্দ মিছিল করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের নতুন রাষ্ট্রদূত চোপ লাল ভুসাল গত রোববার সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী আলোচনায় আঞ্চলিক যোগাযোগের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় তিনি কুড়িগ্রামের মানুষের…

বিস্তারিত

সোনাহাট স্থলবন্দর

সোনাহাট স্থলবন্দর

ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের সোনাহাট সীমান্তে এ স্থলবন্দরটি অবস্থিত। ভারত, আসাম এবং নেপালের সঙ্গে স্থলপথে মালামাল আমদানী ও রপ্তানির সুবিধার্থে ভূরুঙ্গামারী জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ বন্দরটি চালু করা হয় ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে। এ বন্দর দিয়ে ভারত, আসাম ও নেপাল হতে কয়লা, কাঠ, টিম্বার, পাথর, সিমেন্ট, চায়না ক্লে, বল ক্লে, কোয়ার্টজ, রাসায়নিক সার, কসমেটিক সামগ্রী, পশু খাদ্য, বিভিন্ন ধরণের ফলমূল, পিঁয়াজ, রসুন, আদা, চাল, ডাল, গম, বিভিন্ন ধরণের বীজ, তামাক ডাটা প্রভৃতি মালামাল আমদানী করা হয়।…

বিস্তারিত

ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ

ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ

১) পাটেশ্বরীর ২য় প্রাচীন সোনা ব্যাপারীর মসজিদঃ বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে কুড়িগ্রামে এসে ভূরুঙ্গামারী গামী লোকাল বাসে মাত্র ৫০ টাকা ভাড়ায় ভূরুঙ্গামারী তে নেমে মাত্র ২০ টাকা রিক্সা ভাড়ায় এ মসজিদ টি দেখে যেতে পারেন। থাকার জন্য ভূরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী ও কুড়িগ্রাম সদরে ভাল মানের নিরাপত্তামুলক ব্যবস্থা সহ অনেক আবাসিক হোটেল আছে । এছাড়া আপনি ডাকবাংলোতেও রাত্রি যাপন করতে পারেন। ২) মীর জুমলার প্রাচীন মসজিদঃ বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত হতে কুড়িগ্রাম এসে ভূরুঙ্গামারী গামী লোকাল বাসে…

বিস্তারিত

মুক্তিযুদ্ধে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ভুমিকা

মুক্তিযুদ্ধে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ভুমিকা

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। মুক্তিযুদ্ধে আমাদের এই ভূরুঙ্গামারীর ভুমিকা ছিল গৌরবোজ্জ্বল। ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে কেন্দ্রীয় হাই কমান্ডের নির্দেশে কুড়িগ্রাম মহকুমা ছাত্রলীগের নেতারা স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাথমিক প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করে। ঘোষপাড়াস্থ আহম্মদ আলী বক্সীর গুদাম ঘরের প্রবেশ মুখে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে সীমান্ত এলাকায় ইপিআর এর বাঙালী সদস্যদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে তাদের কে স্বাধীনতা যুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেন।আখতারুজ্জামান মন্ডলের নেতৃত্বে ভূরুঙ্গামারী থানার ইপিআর ফাড়ির বাঙালী ইপিআর সদস্যদের সংগঠিত করা এবং ভারতের…

বিস্তারিত

ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ঐতিহ্য ও পরিচিতি

ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ঐতিহ্য ও পরিচিতি

প্রাচীনকালে ভূরুঙ্গামারী একটি নদীবহুল এলাকা ছিল। এখানকার সবগুলো নদীই খরস্রোতা ছিল। এ অঞ্চলে প্রবাহিত নদীগুলো বার বার তাদের গতিপথ পরিবর্তন করেছে। নদীর পরিত্যক্ত গতিপথ থেকে বিল ও পুকুর সদৃশ খাল-বিল সৃষ্টি হয়েছে। এখানকার প্রায় সবগুলো বিল এবং পুকুর মাছ চাষের উপযোগী। ‘মাছে ভাতে বাঙালি’ এ প্রবাদটি ভূরুঙ্গামারীর অধিবাসীদের কাছে এখনো সত্য। এক সময় ভূরুঙ্গামারী রুই মাছের জন্য বিখ্যাত ছিল। ভূরুঙ্গা মাছের প্রাচুর্য থেকে এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয়েছে ভূরুঙ্গামারী। লোকজন দল বেধে মাছ ধরতে যাওয়ার…

বিস্তারিত